• ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fire Breaks Out

দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দাউদাউ আগুনে ছাই বস্তি! একের পর এক সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার আক্রা-সন্তোষপুর এলাকায় একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুনে বহু ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্তত ৪০টি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ৫০ থেকে ৬০টি ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শনিবার আচমকা আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আগুনের তীব্রতায় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দূর থেকেও সেই ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা।আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। আতঙ্কে বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন।প্রথমদিকে স্থানীয়রাই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে ও বিভিন্নভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।খবর পেয়ে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও পৌঁছে উদ্ধারকাজে সাহায্য করছে।এই অগ্নিকাণ্ডে রেললাইনের ওভারহেড তার পুড়ে যাওয়ায় বজবজ-শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দলোক হাসপাতালে আগুনে হাহাকার! স্যালাইন হাতে রাস্তায় রোগীরা, ছড়াল চরম আতঙ্ক

সল্টলেকের আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চরম আতঙ্ক ছড়াল। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ করেই আগুন লাগে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা ভবন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এসির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কেউ ভেতরে আটকে আছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা।হাসপাতালের লিফট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশের আনন্দলোকেরই DL ব্লকের অন্য একটি ভবনে তাঁদের স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক রোগীকে স্যালাইন হাতে নিয়েই বাইরে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায়, যা নিয়ে আতঙ্ক আরও বাড়ে।একের পর এক ওয়ার্ড ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ আগুন! একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দাউ দাউ করে জ্বলছে দোকান

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশনের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে একাধিক দোকান। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে দূর থেকে দেখা যাচ্ছে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের।প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, একটি কাঠগোলায় প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে। স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় বহু খাবারের দোকান রয়েছে। সেখানে মজুত ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। আগুন ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়ংকর আকার নেয় এবং কাঠগোলা সংলগ্ন বহু দোকানে লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। আগুনের জেরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়েছেন।স্টেশন লাগোয়া এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে রেল চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না এলে কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।এই অগ্নিকাণ্ডে বহু দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রচুর টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনই জানা যায়নি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

মার্চ ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ঘুম ভাঙল আগুনের তাণ্ডবে, একসঙ্গে পুড়ল পনেরো দোকান, আতঙ্কে রাত কাটালেন স্থানীয়রা

গৌরাঙ্গ নগর বাজারে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একের পর এক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেল। অন্তত চোদ্দ থেকে পনেরোটি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। বছরের শুরুতেই বড় ক্ষতির মুখে পড়ে অনেকেই হতাশায় ভেঙে পড়েছেন।রাজারহাট নিউটাউন সংলগ্ন বাগজোলা খাল পাড়ের এই ব্যস্ত বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকেই ভিড় থাকে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। সারারাত চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, কিন্তু ততক্ষণে বহু দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার পর একটি দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায় বলে অভিযোগ। এর ফলে আগুন আরও ভয়াবহ রূপ নেয় এবং দ্রুত পাশের দোকানগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। দমকল আপাতত আগুন লাগার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখছে।নিজেদের দোকান চোখের সামনে জ্বলতে দেখে অনেক ব্যবসায়ী কান্নায় ভেঙে পড়েন। দমকলের জন্য বারবার আর্জি জানাতে দেখা যায় তাঁদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগুন লাগার পর কিছু সময় দমকল পৌঁছতে দেরি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যায়।ঘটনার খবর পেয়ে মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন এলাকার বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ক্ষতির পরিমাণ দ্রুত নির্ধারণ করা হবে বলে জানান। বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানানো হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় পঞ্চায়েতকেও ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের সংখ্যা নির্ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

চামড়া পোড়া গন্ধে ঢেকে আনন্দপুর! উদ্ধার ৩ কঙ্কাল-সহ ৮ দগ্ধ দেহাংশ

আনন্দপুরের সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরে গোটা এলাকা জুড়ে এখন শুধু পোড়া চামড়ার গন্ধ। পুড়ে যাওয়া গোডাউনের ভিতর থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে তিনটি পোড়া কঙ্কাল-সহ মোট আটটি ঝলসে যাওয়া দেহাংশ। ঘটনাস্থলের ভয়াবহ ছবি কার্যত কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা শহরকে। তদন্তে নেমেছে ফরেনসিক দল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এবং দমকলের ডিজি।প্রাথমিক তদন্তে দমকল আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ওই গোডাউনে কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন লাগার পর প্রথম পর্যায়ে কর্মীরা আগুন নেভানোর কোনও চেষ্টাই করতে পারেননি। সোমবার থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়, যেখানে একের পর এক কর্মীর ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হচ্ছে, সেই গোডাউনের মালিক কোথায়?স্থানীয় এক যুবক কথা বলতে গিয়ে জানান, বহু বছর আগে এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি গঙ্গাধর দাস এই গোডাউনটি তৈরি করেছিলেন। তবে নিয়মকানুন মানা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর এড়িয়ে যান। দমকল আধিকারিকরা সোমবারই স্পষ্ট করে জানান, গোডাউনে আগুন নেভানোর মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দমকলমন্ত্রীও সেই কথাই স্বীকার করেন। তবে তখনও গোডাউনের মালিকের দেখা মেলেনি।পরে জানা যায়, আনন্দপুরের ওই গোডাউনটি একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার। গোডাউনটি ভর্তি ছিল নরম পানীয় এবং শুকনো খাবারের প্যাকেটে। তবে গোডাউনের মালিকের দাবি, সেখানে অগ্নি নির্বাপণের সমস্ত ব্যবস্থা ছিল। তাঁর বক্তব্য, চার থেকে পাঁচ কোটি টাকার জিনিস পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার এক্সটিংগুইশার ছিল, এখনও সেগুলি সেখানে পড়ে রয়েছে। কিন্তু রাত দুটোর সময় আগুন লাগায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। তাই কেউ ব্যবহার করার সুযোগ পাননি।যদিও দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু এ বিষয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দমকলের ডিজির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন যে ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণের মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ফরেনসিক তদন্ত হবে, এফআইআর দায়ের করা হবে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত চলবে বলেও জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুরে আগুনে মৃত্যু: সত্যিই কি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করা হয়েছিল? প্রকাশ্যে পুলিশের রিপোর্ট

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, বাইরে থেকে কি গুদামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের একাংশ প্রথম দিকে সরাসরি গুদামের মালিকের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই আটকে পড়ে প্রাণ হারান কর্মীরা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ?প্রায় ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দাউদাউ করে জ্বলেছিল আনন্দপুরের ওই কারখানা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কারখানার ভিতরে দুটি আলাদা গুদাম ছিল। একটি ছিল একটি নামী মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার, অন্যটি একটি ডেকরেটর্স সংস্থার। দুটি গুদামেই ছিল প্রচুর শুকনো খাদ্যদ্রব্য ও দাহ্য সামগ্রী। এর মধ্যেই মজুত ছিল পাম তেল। আগুন লাগার পর এই দাহ্য বস্তুগুলিই আগুনকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জন কর্মীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে প্রশাসনের ধারণা, এখনও অন্তত ২৫ জন কর্মী নিখোঁজ। সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া ওই কারখানায় আদৌ কেউ জীবিত রয়েছেন কি না, তা নিয়েই গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে পুলিশ। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ গুদামের দরজায় তালা লাগাননি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আগুন লাগার সময় গুদামের টিনের চাল ভেঙে পড়ে। তার জেরেই ভিতরে আটকে পড়েন কর্মীরা এবং কারখানাটি কার্যত মৃত্যুকূপে পরিণত হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেকরেটর্স সংস্থার গুদামে ঢোকা ও বেরনোর জন্য দুটি গেট ছিল। আগুন লাগার সময় ওই দুই গেটের সামনেই থাকা টিনের চাল ভেঙে পড়ে। ফলে গেট দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মীরা প্রাণপণে গেট খোলার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। বিকল্প কোনও বেরনোর পথ খুঁজে পাননি তাঁরা।শেষ পর্যন্ত আটকে পড়া কর্মীরা টিনের চাল ভেঙে বেরনোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই সেখানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। সেখানেই পুড়ে মৃত্যু হয় একাধিক কর্মীর।মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার গুদামেও প্রায় একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই গুদামের মূল গেটের সামনেই দাউদাউ করে জ্বলছিল আগুন। ফলে গেটের চাবি নিজেদের কাছে থাকলেও তিন কর্মী আগুনের তাপে গেটের কাছে পৌঁছতে পারেননি। ওই গুদামেও প্রচুর পাম তেল মজুত ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানেও আগুন ধরে যায়।প্রাণ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে তাঁরা গেটের পাশেই থাকা একটি অফিস ঘরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা বলেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। শেষ পর্যন্ত আর রক্ষা হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তিন কর্মীর।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

মোমো নয়, ডেকরেটর্স কারখানাও জ্বলছে! নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে উদ্বেগ

প্রায় বারো ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাত থেকে জ্বলছে একটি নামজাদা মোমো কারখানা। তার পাশেই রয়েছে একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কারখানা। সেই দুই কারখানায় কাজ করা বহু কর্মীর এখনও কোনও খোঁজ নেই। ফোন বন্ধ, কোনও যোগাযোগ নেই। উদ্বেগে, আতঙ্কে ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন মোমো কারখানার কর্মী এবং দশ জন ডেকরেটর্স সংস্থার শ্রমিক। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন গুরুপদ সাউ। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। তিনি মোমো কারখানার পাশের ডেকরেটর্সের গুদামে ফুলের কাজ করতেন। রবিবার রাতেও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল গুরুপদের। তিনি জানিয়েছিলেন, গুদামের ভিতরে কাজ করছেন। কিন্তু সোমবার ভোরে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ। এরপর থেকেই উৎকণ্ঠা বাড়ছে পরিবারের।ঘটনাস্থলে হাজির গুরুপদের এক আত্মীয় জানান, গুরুপদ রাতে গুদামেই ছিলেন বলে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয়। সকাল থেকে তাঁকে ফোন করা হলেও কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু গুরুপদ নন, তাঁর সঙ্গে কাজ করা আরও অনেক শ্রমিকেরও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, মোমো কারখানার নাইট শিফ্টে থাকা তিন জন কর্মী নিখোঁজ। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়েছে। পরে জানা যায়, শুধু মোমো কারখানাই নয়, পাশাপাশি থাকা ডেকরেটর্সের গুদাম থেকেও একাধিক কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সব মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।এখনও আগুন পুরোপুরি নেভেনি। ভিতরে ঢুকে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। দমকল ও পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রিয়জনদের কোনও খবর না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন পরিবারের সদস্যরা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের আগুন, নিউটাউনের বহুতলে দাউদাউ করে জ্বলল অফিস

বুধবার সন্ধ্যার পর বৃহস্পতিবার সকাল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউনের থাকদাঁড়ি এলাকার একটি বহুতলে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ছয়টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যেই তা বহুতলের একাধিক তলায় ছড়িয়ে পড়ে। উপরের দিকের জানলা ভেঙে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাতে হয় দমকলকে। বহুতলের ভিতর থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। চারপাশ ঢেকে যায় ধোঁয়ায়।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বহুতলে একাধিক বেসরকারি সংস্থার অফিস রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উপরের তলার জানলা দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়।এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, এর আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দপুরের নোনাডাঙার মাতঙ্গিনী কলোনি বসতিতেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ছটা নাগাদ সেখানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রথমে দমকলের দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।নোনাডাঙার ওই অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক ঝুপড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। শীতের রাতে ঘরছাড়া হন বহু মানুষ। একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে শহর জুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

টিনের ছাউনি, নেই অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা—ভয়াবহ পরিণতি যদুবাবুর বাজারে

চোখের সামনে পুড়ে যেতে দেখলেন জীবনের সব সম্বল। কিছুই করার ছিল না। খবর পৌঁছতে পৌঁছতেই সব শেষ। এক রাতের আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল ২০০-রও বেশি দোকান। সর্বস্বান্ত হয়ে পড়লেন শতাধিক ব্যবসায়ী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি স্টেশন সংলগ্ন যদুবাবুর বাজারে।সোমবার গভীর রাতে ওই বাজারে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, গোটা ঘটনার পূর্ণ তদন্ত হওয়া দরকার। বাজারে দোকান করা এক ব্যবসায়ী নুপুর চক্রবর্তী বলেন, রাতে তাঁকে ফোন করে জানানো হয় দ্রুত বাজারে আসতে। বলা হয়, সব শেষ হয়ে গিয়েছে, সব পুড়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, ওই বাজারে প্রায় ২০০টির মতো দোকান ছিল। তাঁর নিজের একটি ইলেকট্রিকের দোকানও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।আর এক ব্যবসায়ী চোখের সামনে নিজের দোকান জ্বলতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অসহায় কণ্ঠে তিনি বলেন, এ যেন একেবারে শ্মশান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যদুবাবুর বাজারের সব দোকানই ছিল টিনের ছাউনি দেওয়া। সেখানে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং গোটা বাজার গ্রাস করে ফেলে।দমকল বাহিনী সময় মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সাতটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু ততক্ষণে সব কিছুই প্রায় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। রাতারাতি রাস্তায় বসে পড়েছেন বহু ব্যবসায়ী। কীভাবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় তাঁরা।ঘটনাস্থলে পৌঁছন উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন একাধিক পুর প্রতিনিধি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি। বিধান বিশ্বাস বলেন, এই বাজার পুরসভার অন্তর্গত। ব্যবসায়ীদের পাশে রয়েছে পুরসভা। তাঁদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ড থেকে ফেরত, এবার গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে? পাতিয়ালা হাউসে লুথরা ভাইরা

গোয়ার রোমিও লেনের বার্চ নাইটক্লাবের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মামলায় বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে গোয়া পুলিশ। থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত আনার পর সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা নামে দুই ভাইকে মঙ্গলবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতে পেশ করা হয়। গোয়া পুলিশ আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানাবে, যাতে অভিযুক্তদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।আদালতে গোয়া পুলিশ জোর দিয়ে বলবে যে, এই মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের কোনওরকম ছাড় দেওয়া উচিত নয় বলে দাবি করবে পুলিশ। প্রসিকিউশনের তরফে আরও জানানো হবে, যে নাইটক্লাবটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলছিল। ক্লাবের একাধিক লাইসেন্স, যেমন লিভ এগ্রিমেন্ট এবং ট্রেড লাইসেন্স, আগেই মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছিল।পুলিশ আদালতে এ কথাও তুলে ধরবে যে, এর আগে দিল্লির রোহিণী আদালত অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, ঘটনার ভয়াবহতা অত্যন্ত বেশি এবং অভিযুক্তরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের জামিন দেওয়া যায় না।গোয়া পুলিশ মনে করছে, লুথরা ভাইদের জেরা করলে অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে গাফিলতি ও বেআইনি কার্যকলাপের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তাই দ্রুত তাঁদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে তদন্ত শুরু করতে চায় পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ডে ধরা পড়ল ক্লাব-মালিক লুথরা ভাইরা, দেশে ফেরাতে ছুটছে গোয়া পুলিশ

গোয়ার বার্চ বাই রোমিও লেন ক্লাবে ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ক্লাব-মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা অবশেষে থাইল্যান্ডের ফুকেতে ধরা পড়েছেন। শনিবার রাতে সন্দেহজনক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইটে থাইল্যান্ডে উড়ে যান দুই ভাই। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস জারি হয়।ভারত টুডের হাতে পাওয়া এক্সক্লুসিভ ছবিতে দেখা গেছে, ফুকেতে একটি আটক কেন্দ্রে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের একজন। ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই থাকবেন। গোয়া পুলিশ খুব শীঘ্রই থাইল্যান্ডে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে আসবে বলে সূত্রের খবর।পালানোর ঘটনায় আরও সন্দেহ তৈরি হয়, কারণ গোটা দেশে ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিল ও দেরিতে চললেও তারা কোনওভাবে রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তখনই দমকল ও পুলিশ আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিল। পরে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই তাঁরা পালানোর প্রস্তুতি নেন।ধরা পড়ার আগে তাঁরা দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ক্লাবের দৈনন্দিন কাজে তাঁরা যুক্ত নন এবং তদন্ত সংস্থার বদলা নেওয়ার মনোভাব-এর শিকার হচ্ছেন। থাইল্যান্ড সফরকেও তাঁরা ব্যবসায়িক ভ্রমণ বলে দাবি করেছিলেন।গোয়া পুলিশের FIR-এ বলা হয়েছে, ক্লাবটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অ্যালার্ম, ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম বা অডিট ছিল না। ক্লাবের মালিক, ম্যানেজার ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা আগুন নিয়ে স্টান্ট শো করছিলেন, অথচ তাঁরা জানতেন এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাবে জরুরি নির্গমন পথও ছিল না, ফলে বহু অতিথি আগুনে আটকে পড়েন।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব আগেই বলেছেন, লুথরা ভাইদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর পরেই তাঁদের মালিকানাধীন আরও একটি বেআইনি ক্লাব শ্যাক ভেঙে ফেলে প্রশাসন।মঙ্গলবার ক্লাবের অপর সহ-মালিক অজয় গুপ্তাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

অভিশপ্ত গোয়া নাইটক্লাব! ২৫ জনের মৃত্যু, মালিকের রহস্যময় বার্তা—কোথায় লুকিয়ে সৌরভ?

গোয়ার জনপ্রিয় একটি নৈশক্লাবে পার্টি চলার সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুতে উত্তাল সারা দেশ (Goa)। অভিযোগ উঠছে, ক্লাবটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল এবং ভিতরে প্রবেশের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ ছিল। এই ঘটনায় ক্লাবের মালিক সৌরভ লুথরা এখনও পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি হলেও পুলিশ এখনো তাকে ধরতে পারেনি। এই নিয়েই উঠে আসছে নানা প্রশ্নএত বড় দুর্ঘটনার পরও কি প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হচ্ছে?ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে সৌরভ লুথরা (Goa) প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি ভীষণ দুঃখিত এবং শোকাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাসও দেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়পুলিশ যখন দিল্লি পর্যন্ত তাঁর খোঁজে গিয়েছে, তখন তিনি কীভাবে অনায়াসে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারলেন?উত্তর গোয়ার (Goa) আরপোরায় বাগা সৈকতের কাছে অবস্থিত বির্চ বাই রোমিও লেনে নামের ক্লাবটিতে শনিবার রাতে পার্টি চলার সময় আগুন লাগে। আগুনে এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২০ জনই ক্লাবের কর্মী বলে জানা গেছে। বাকিরা পর্যটক। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত জানিয়েছেন, ক্লাবে মাত্র দুটি প্রবেশপথ ছিল। যথেষ্ট বেরোনোর রাস্তা না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ক্লাবের ভিতর আতশবাজি ফাটানোয় আগুন লাগে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের দাবি তিনি নাকচ করেছেন।ঘটনার পর থেকেই বিরোধীরা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। সরকার ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।ইতিমধ্যে তিনজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরা হলেন পঞ্চায়েত পরিচালক সিদ্ধি তুষার হরলঙ্কর, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সচিব সদস্য ডাঃ শামিলা মনতেইরো এবং আরপোরা-নাগোয়া পঞ্চায়েতের সচিব রঘুবীর বাগকর। অভিযোগ, ২০২৩ সালে এই নৈশক্লাবকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। পুলিশ পঞ্চায়েত প্রধান রোশন রেদকরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কারণ তিনিই ক্লাবটিকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করেছিলেন।অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ক্লাব মালিক সৌরভ লুথরার হদিশ মিলছে না। তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেই এবার উঠে এল নতুন বিতর্কপুলিশের চোখ এড়িয়ে কীভাবে তিনি নিজের অবস্থান গোপন রাখছেন?

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

সাগরের ধারে অবৈধ ক্লাবই কোলে বসানো টাইম বোমা! কেন চুপ ছিল গোয়ার কর্তারা?

গোয়ার ভগাতর সৈকতের উপর যে ক্লাবটি নিয়ে এতদিন অভিযোগ উঠছিল, সেটিকে স্থানীয়রা বরাবরই টিকটিক করা টাইম বোমা বলেই বর্ণনা করতেন। অভিযোগ, লুথরা ভাইদের মালিকানাধীন ওই ক্লাবটি তৈরি হয়েছিল পুরোপুরি বেআইনি ভাবেকোনও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, নেই কাঠামোর সুরক্ষার ন্যূনতম নিয়মও। আরও বিস্ময়, ক্লাবটি দাঁড়িয়ে ছিল সরকারি জমির উপরই। ভারতের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ জানানো হলেও, তেমন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।পুলিশ, পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড, কোস্টাল জোন রেগুলেটরি অথরিটি, টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিংসব জায়গায় অভিযোগ গিয়েছিল। সমাজকর্মী রবি হর্মালকারও বহুবার সতর্ক করেছিলেন, এমনকি লুথরা ভাইদের কাছ থেকে হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি। শেষ পর্যন্ত তিনি গোয়া বেঞ্চের বোম্বে হাইকোর্টে যান। আদালত ভাঙার নির্দেশ দেয়। পরে পর্যটন দফতরও ভাঙার নির্দেশ তো দেয়, কিন্তু যা করা হয়, তা ছিল মাত্র উপরি-উপরি। এর পরও ক্লাবটি আবার কাঠের তক্তা আর পেরেক জোড়া দিয়ে সমুদ্রের ধারে দাঁড় করিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যায়।অভিযোগ, উচ্চ জোয়ারের সময় ঢেউ সরাসরি ক্লাবের দোতলায় আছড়ে পড়ত। হর্মালকার বারবার সতর্ক করেছিলেন যে এই জায়গা যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।শেষমেশ আরপোরার রোমিও লেনের বিখ্যাত নাইটক্লাব বার্চ-এ ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যু এবং কয়েকজন আহত হওয়ার পর গোয়া প্রশাসন তৎপর হয়। সেই ঘটনার পরই ভগাতরের ওই ক্লাবটি সিল করে দেওয়া হয়।এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অভিযোগ, এত বিপদের সতর্কতার পরেও কে বা কারা লুথরা ভাইদের রক্ষা করছিল, যার ফলে কোনও লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি জমিতে ক্লাব চালানো সম্ভব হয়েছিল? হর্মালকারের দাবি, তাঁদের পিছনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল এবং এমনকি কয়েকজন আইএএস ও আইপিএস অফিসারের আশ্রয়ও তারা পেয়েছিলেন।রোমিও লেনের ওয়েবসাইটে সৌরভ লুথরাকে একজন গোল্ড মেডালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার থেকে সফল রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি শহরে ক্লাবরেস্তোরাঁর শৃঙ্খল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও স্থান পেয়েছেন।ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় গোয়া পুলিশ সৌরভ লুথরা ও তাঁর ভাই গৌরবের বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর দুজনই রাজ্য ছাড়েন এবং সম্ভবত দেশ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। দেশের সব বিমানবন্দর ও থানায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

দমদমে আগুনে দাউদাউ গেঞ্জি কারখানা! বস্তি বাঁচাতে দমকলের মরিয়া লড়াই—অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা

দমদমে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সন্ধ্যায় সেভেন পয়েন্টের কাছে একটি গেঞ্জি কারখানায় হঠাৎ আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গোটা কারখানা। কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়ে। দূর থেকেও আগুনের তেজ দেখা যাচ্ছিল। আগুন বাড়তে থাকতেই আতঙ্ক তৈরি হয় আশপাশের বস্তিতে। বাসিন্দারা তড়িঘড়ি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেন, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে বের করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।কারখানার কয়েকজন কর্মী সময়মতো বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও উল্টো দিকের একটি বাড়িতে কয়েকজন আটকে ছিলেন। স্থানীয়রা তাঁদের নিরাপদে বের করে আনে। ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। চারদিক বস্তি থাকায় আগুন যাতে সেগুলিতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই দিকেই প্রথম নজর ছিল দমকলের। এক দমকলকর্মী জানান, বস্তিগুলো রক্ষা করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং তারা সেই চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দমকল জানিয়েছে। এখনও কারখানার কোথাও আগুন লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো হতাহতের খবর না মিললেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কারখানার মালিক বা কর্মীরা এখনো কিছু বলেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারখানায় ঠিকমতো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। বস্তিতে আগুন না ছড়ানোয় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অতীন ঘোষও।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

বড়বাজারে ভোরবেলার দহনলীলায় ছাই শতাধিক দোকান! ২৪ ইঞ্জিনের লড়াইয়ে আগুন কাবু

শনিবার ভোরে ঘুম ভাঙতেই বড়বাজারের এজরা স্ট্রিট জীবন্ত নরক। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হঠাৎই একটি ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকানের দ্বিতীয় তলায় আগুন ধরা মাত্র মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ঘিঞ্জি বাজার, সারি সারি বৈদ্যুতিন সামগ্রী, তার, এসি, ইনভার্টারসব মিলিয়ে আগুন মুহূর্তে ভয়াবহ রূপ নেয়। বিস্ফোরণের মতো দুমদাম শব্দে একের পর এক ইলেকট্রনিক জিনিস ফেটে যেতে থাকে। আশেপাশের বাসিন্দারা দৌড়ে এসে নিজেরাই জল ঢালার চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুনের দাপট এতটাই বেশি যে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো ভবনটিই আগুনের গ্রাসে চলে যায়।খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের ছটি ইঞ্জিন আসে, পরে একে একে বাড়তে বাড়তে ২৪টি ইঞ্জিন নামানো হয় আগুন নেভাতে। কিন্তু ঘিঞ্জি গলি, উঁচু ভবন, দাহ্য সামগ্রীর মজুত এবং প্রচণ্ড তাপসব মিলিয়ে দমকলের জন্য কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে রাস্তার উল্টো দিকের আরও একটি বিল্ডিংয়েও। প্রথমে একটি তলা জ্বলতে দেখা গেলেও মুহূর্তে আগুন লাফিয়ে ওঠে তলা থেকে তলায়, শেষে ছাদ পর্যন্ত আগুন গ্রাস করে ফেলে। সিলিন্ডার ফাটার শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে বারবার। চিৎকার-চেঁচামেচি, দমকলের সাইরেন, বিস্ফোরণের আওয়াজপুরো বড়বাজার এলাকায় তৈরি হয় আতঙ্কের পরিবেশ।দমকল কর্মীরা দুই দিক থেকে জল মারছেন, কিন্তু যে বিল্ডিংয়ে প্রথম আগুন লেগেছিল, তার মাঝের অংশে পৌঁছনোই প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। টিনের ছাদ আগুনে লাল হয়ে থাকায় সেখানে দাঁড়ানোটাই বিপজ্জনক। স্থানীয় বাসিন্দারাও বাড়ির ছাদ থেকে দমকলকে সাহায্য করছেন। আগুন যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে সেই কারণে আশেপাশের বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।প্রায় পাঁচ ঘণ্টার লড়াইয়ের পর সকাল দশটা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার আগে ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। দমকল সূত্র জানিয়েছে, অন্তত একশোরও বেশি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই দাহনে। বহু দোকানদারের সারাজীবনের সঞ্চয়, মালপত্রসবই চোখের সামনে ছাই হয়ে গিয়েছে। হাহাকার চারদিকে। তদন্তে দমকল এখন খতিয়ে দেখছে আগুন লাগার কারণশর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও সমস্যা।বড়বাজারের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরবাসীকে আবারও মনে করিয়ে দিলঅতিরিক্ত দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকলে এবং সংকীর্ণ গলিতে দোকান সাজালে বিপদ কতটা দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

ধোঁয়ার ঢাকল রাস্তা, দমকল পৌঁছাতে দেরি — দাউ দাউ করে জ্বলছে ডালহৌসির ওয়ার্কশপ!

শহরের ঘিঞ্জি ও সরু গলিতে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখা যায়, R. N. Mukherjee Road-২১ নম্বরে গাড়ি যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী একটি কারখানায় অগ্নি বিষয়ক এক বিপর্যয় শুরু হয়েছে। ওই গোডাউনের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে তৈল, রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থযার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।ঘণ্টা সাড়ে দশটার সময়, কারখানার পিছন দিক থেকে ধোঁয়ার গোলা বের হতে দেখেন সামনের দোকানের কর্মীরা। সরু গলি হেঁকে তারা এগিয়ে গিয়ে পরে বুঝতে পারেন, এক এক করে লেলিহান শিখা ছুঁইড়ে উঠছে। প্রথমে আশপাশের দোকানিরা হাঁসফাঁস করে জল ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে, সঙ্গে সঙ্গে গোডাউনের ভিতরে থাকা কয়েকজনকে সরে যেতে বলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে।কিন্তু নির্মাণকারীর বানানো এসব গাড়ি যন্ত্রাংশের সঙ্গে যুক্ত তৈল-রাসায়নিক মজুত থাকায়, আগুন যেন দ্রুত পাহাড় হয়ে উপচে পড়ছেদহনের পরিমাণ বাড়তেই থাকে। প্রথমে দুইটি দমকল ইঞ্জিন এসে কাজে লেগেছিল, পরে আরও তিনটি যোগ হয়। তবে ধোঁয়ার কালো গ্যালাকে ঘিরে পুরো এলাকা মুহূর্তে দৃশ্যমানতা হারিয়ে ফেলে। দমকলকর্মীরা ভয়ডরেই ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢুকছেন, যেখানে শ্বাস নেওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে পড়েছে।ঘটনাস্থলেই আশপাশের দোকান ও অফিসগুলো খালি করে দেওয়া হয়েছে; মানুষ একটু একটু করে সরিয়ে নিচ্ছেন নিরাপদ স্থানগুলোতে। পরবর্তী খবর পাওয়া গেছে যে, আরও বেশি ইঞ্জিন-যান পাঠানো হতে পারে, কারণ আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনও দমকলকর্মীদের পুরোপুরি সফল হতে পারেনি।এই ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডটি শুধু রোডের ওই এক কোণেই সীমাবদ্ধ নয় সরু গলিতে বসে থাকা ছোট দোকান, অফিস, আশপাশের জনসংখ্যার সমান-সমানে ঝুঁকিতে রয়েছে। অবস্থা নজিরবিহীন; শহরের মুখে এমন দাহ্য দৃশ্য বিরল। কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে।এই মুহূর্তে অনুসন্ধান চলছে কারখানার ভিতরে কী কারণে আগুন ধরল, নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো আশঙ্কাজনক অবহেলা ছিল কি না। যেমন-তেমনেই এই খবর এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, অনেকেই ইতিমধ্যেই ঘটনা দেখে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন; ধোঁয়ার লম্বা দাগ, শিখার তীব্রতা, ভীতসন্ত্রস্ত দোকানিরাসবই চোখে ধরা পড়ছে।আপনি যদি এলাকা ঘিরে থাকেন বা পরিচিত কেউ সেখানে থাকেন, তাহলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। এই মুহূর্তে আতঙ্কিত নয়, সচেতন থাকাই সবচেয়ে বড় কারণ যে কোনো অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে এই ধরনের বিপর্যয় মুহূর্তেই বিভীষিকায় পরিণত হতে পারে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal